সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রবাস কর্মসূচি ২০২৬: রেজিস্ট্রেশন, মাসিক কিস্তি ও ভবিষ্যৎ বেনিফিট

১. সর্বজনীন পেনশন প্রবাস স্কিম কী ও এর পটভূমি
বিদেশে কর্মরত প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধারা দেশের অর্থনীতির প্রাণশক্তি হলেও কর্মজীবনের শেষভাগে প্রায়শই আর্থিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন। সরকারি চাকরিজীবীদের মতো প্রবাসীদের কোনো নিজস্ব পেনশন বা গ্র্যাচুইটি ব্যবস্থা ইতিপূর্বে ছিল না। এই ঐতিহাসিক বাস্তবতায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের বার্ধক্যে আর্থিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের আওতায় চালু করেছে যুগান্তকারী ‘প্রবাস স্কিম’।
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ (National Pension Authority – NPA)-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এই পেনশন ফান্ড সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে পরিচালিত হয়। গ্রাহকদের প্রদত্ত সমুদয় অর্থ সরকার নিয়ন্ত্রিত সুরক্ষিত ট্রেজারি বন্ড, লাভজনক অবকাঠামো এবং দীর্ঘমেয়াদী সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা হয়। ফলে বেসরকারি অনিবন্ধিত ফান্ডের বিপরীতে এতে সরকারের পূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক নিশ্চয়তা, দায়বদ্ধতা ও বিনিয়োগ সুরক্ষা নিশ্চিত থাকে।
এছাড়া প্রবাস স্কিমের মাধ্যমে প্রবাসী আয় সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেলে পরিচালিত হওয়ায় দেশের সামগ্রিক বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হয়। এটি একাধারে ব্যক্তিগত সামাজিক নিরাপত্তা এবং জাতীয় অর্থনীতির স্থায়ী স্তম্ভ হিসেবে ভূমিকা রাখছে।

বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স সুবিধা সম্পর্কে জানতে আমাদের রেমিট্যান্স প্রণোদনা নীতিমালা গাইড দেখুন। পাশাপাশি রেমিট্যান্সে কর ছাড়ের তথ্য জানতে পড়ুন রেমিট্যান্সে শতভাগ করমুক্ত সুবিধা।
২. প্রবাস স্কিমে অংশগ্রহণের যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
সর্বজনীন পেনশন প্রবাস স্কিম নিয়ম অনুসারে বিদেশে বৈধ বা চুক্তিভিত্তিক পেশায় নিয়োজিত যেকোনো প্রবাসী বাংলাদেশি সহজেই এতে যুক্ত হতে পারেন। প্রয়োজনীয় শর্তাবলী নিচে উল্লেখ করা হলো:
যোগ্যতার মূল মানদণ্ড
- নাগরিকত্ব: আবেদনকারীকে অবশ্যই জন্মসূত্রে বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে এবং বিদেশে অবস্থানরত বা কর্মরত থাকতে হবে।
- বয়সসীমা: নিবন্ধনের তারিখে প্রার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ ৫০ বছর হতে হবে। তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সী প্রবাসীরাও অংশ নিতে পারেন; সেক্ষেত্রে একটানা ন্যূনতম ১০ বছর চাঁদা প্রদান শেষে পেনশন সুবিধা সক্রিয় হবে।
- পরিচয়পত্র: আবেদনকারীর এনআইডি নম্বর অথবা কার্যকর বাংলাদেশি পাসপোর্ট নম্বর থাকা বাধ্যতামূলক। যাঁদের এনআইডি নেই, তাঁরা প্রাথমিকভাবে পাসপোর্ট দিয়ে নিবন্ধন করে পরে এনআইডি যুক্ত করতে পারেন।
- উপার্জন মাধ্যম: প্রবাসে বৈধ উপার্জিত অর্থ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় কিস্তি পরিশোধের সংকল্প থাকতে হবে। জনশক্তি ব্যুরোর (বিএমইটি) ক্লিয়ারেন্সধারী কর্মীরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে সেবা পান।
বিদেশে বসে ব্যাংকিং চ্যানেলের নিরাপত্তা বুঝতে আমাদের ব্যাংক ওয়্যার বনাম এক্সচেঞ্জ হাউস বিশ্লেষণ দেখে নিন।
৩. প্রবাস স্কিমের মাসিক কিস্তি ও জমার হিসাব
প্রবাস স্কিমের মাসিক কিস্তি ও জমার হিসাব সহজ ৪টি স্তরে বিন্যস্ত করা হয়েছে, যাতে প্রতিটি আয়ের প্রবাসী সাধ্যমতো অংশ নিতে পারেন:
| কিস্তির স্তর | মাসিক চাঁদা (BDT) | সমপরিমাণ ডলার (আনুমানিক) | পরিশোধ চক্র | উপযোগী গ্রুপ |
|---|---|---|---|---|
| স্তর ১ | ২,০০০ টাকা | প্রায় ১৬ ডলার | মাসিক / ত্রৈমাসিক / বার্ষিক | সাধারণ শ্রমিক ও সহায়ক কর্মী |
| স্তর ২ | ৫,০০০ টাকা | প্রায় ৪০ ডলার | মাসিক / ত্রৈমাসিক / বার্ষিক | দক্ষ টেকনিশিয়ান ও সার্ভিস কর্মী |
| স্তর ৩ | ৭,৫০০ টাকা | প্রায় ৬১ ডলার | মাসিক / ত্রৈমাসিক / বার্ষিক | সুপারভাইজার ও মাঝারি পেশাজীবী |
| স্তর ৪ | ১০,০০০ টাকা | প্রায় ৮১ ডলার | মাসিক / ত্রৈমাসিক / বার্ষিক | প্রকৌশলী, ব্যবসায়ী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা |

সৌদি আরবের প্রবাসীরা রিয়াল রূপান্তরের হিসাব দেখতে পারেন সৌদি রিয়াল টাকার রেট আজ পেজে। আরব আমিরাতের রেটের জন্য ভিজিট করুন দুবাই দেরহাম টু টাকা রেট।
৪. প্রবাসী পেনশন স্কিম রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি ২০২৬: ধাপে ধাপে নির্দেশিকা
প্রবাসী পেনশন স্কিম রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি ২০২৬ সম্পূর্ণ ডিজিটাল ও কাগজপত্রের ঝামেলামুক্ত। স্মার্টফোন বা ল্যাপটপ দিয়ে নিচের ধাপে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করুন:
ধাপ ১: পোর্টালে প্রবেশ ও স্কিম বাছাই
যেকোনো ইন্টারনেট ব্রাউজারে upension.gov.bd ওপেন করে মূল পাতার ‘পেনশন আবেদন’ বাটনে চাপুন। শর্তাবলীতে সম্মতি দিয়ে প্রদর্শিত তালিকা থেকে ‘প্রবাস’ স্কিম নির্বাচন করুন।
ধাপ ২: এনআইডি ও ওটিপি যাচাই
এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বর এবং সঠিক জন্মতারিখ দিন। সক্রিয় মোবাইল নম্বর ও ইমেইল যুক্ত করে ওটিপি (OTP) কোড ইনপুট দিয়ে পরিচয় যাচাই সম্পন্ন করুন।
ধাপ ৩: প্রবাসের ঠিকানা ও পেশাগত তথ্য
বর্তমান অবস্থানরত দেশের নাম, কর্মস্থল, পেশা এবং বাৎসরিক আয়ের রেঞ্জ নির্বাচন করুন। আবেদনকারীর বাংলা ও ইংরেজি নাম সরকারি ডাটাবেজ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবে।
ধাপ ৪: কিস্তির স্তর ও সময় নির্ধারণ
আপনার পছন্দের কিস্তি (২,০০০ / ৫,০০০ / ৭,৫০০ / ১০,০০০ টাকা) এবং পেমেন্ট চক্র (মাসিক, ৩ মাস পর পর বা বার্ষিক) পছন্দ করুন।
ধাপ ৫: নমিনি মনোনয়ন ও ব্যাংক হিসাব
উত্তরাধিকারী হিসেবে নমিনির জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি ও সম্পর্ক যুক্ত করুন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে পেনশন উত্তোলনের জন্য নিজের দেশের তফসিলি ব্যাংকের একাউন্ট নম্বর ও রাউটিং কোড প্রদান করুন।
ধাপ ৬: পেনশন আইডি (PID) সংগ্রহ ও সংরক্ষণ
সকল তথ্য যাচাই করে সাবমিট করলেই সিস্টেম থেকে অনন্য পেনশন আইডি (PID) পাবেন, যা কিস্তি পরিশোধ ও প্রোফাইল ট্র্যাকিংয়ের জন্য অপরিহার্য।
কুয়েতের প্রবাসীরা দিনারের আপডেট জানতে দেখতে পারেন কুয়েত দিনার টু টাকা রেট। কাতারের জন্য দেখুন কাতার রিয়াল রেট টুডে।
৫. বৈদেশিক মুদ্রায় প্রবাসী পেনশন পরিশোধের নিয়ম
বৈদেশিক মুদ্রায় প্রবাসী পেনশন পরিশোধের নিয়ম অত্যন্ত আধুনিক ও নির্বিঘ্ন পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে কার্যকর:

অনুমোদিত পেমেন্ট চ্যানেলসমূহ
- আন্তর্জাতিক ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড: ভিসা (Visa), মাস্টারকার্ড (MasterCard), বা অ্যামেক্স কার্ড দিয়ে পোর্টাল থেকে সরাসরি কিস্তি জমা দেওয়া যায়। বিদেশি মুদ্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিশিয়াল রেটে টাকায় কনভার্ট হয়।
- ব্যাংকিং রেমিট্যান্স চ্যানেল: অনুমোদিত এক্সচেঞ্জ হাউস বা সোনালী ব্যাংক ড্রাফটের মাধ্যমে সরাসরি সেন্ট্রাল পেনশন তহবিলে কিস্তি পাঠানো যায়। মানি রসিদে পিআইডি উল্লেখ থাকা আবশ্যক।
- মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস: দেশে অবস্থানরত পরিবারের প্রতিনিধির মাধ্যমে অনুমোদিত অনলাইন চ্যানেল বা এমএফএস গেটওয়ে ব্যবহার করেও কিস্তি পরিশোধ করা সম্ভব।
মালয়েশিয়ার প্রবাসীরা কারেন্সি পাঠাতে দেখতে পারেন মালয়েশিয়া রিংগিত টাকার রেট আজ। সিঙ্গাপুরের জন্য রয়েছে সিঙ্গাপুর ডলার টু টাকা লাইভ রেট।
৬. পেনশন স্কিমে কত বছর জমিয়ে কত টাকা পাওয়া যায়: ভবিষ্যৎ রিটার্ন চার্ট
পেনশন স্কিমে কত বছর জমিয়ে কত টাকা পাওয়া যায় তা মূলত জমার সময়কাল ও দীর্ঘমেয়াদী চক্রবৃদ্ধি মুনাফার ওপর নির্ভরশীল। ৬০ বছর পূর্ণ হলে আজীবন মাসিক পেনশনের আনুমানিক হিসাব নিচে দেওয়া হলো:
| চাঁদা জমার মেয়াদ | ২,০০০ টাকার স্তর (পেনশন) | ৫,০০০ টাকার স্তর (পেনশন) | ৭,৫০০ টাকার স্তর (পেনশন) | ১০,০০০ টাকার স্তর (পেনশন) |
|---|---|---|---|---|
| ১০ বছর জমাদান শেষে | প্রায় ৭,৫৮০ টাকা | প্রায় ১৮,৯৫০ টাকা | প্রায় ২৮,৪২৫ টাকা | প্রায় ৩৭,৯০০ টাকা |
| ১৫ বছর জমাদান শেষে | প্রায় ১৫,৩০০ টাকা | প্রায় ৩৮,২৫০ টাকা | প্রায় ৫৭,৩৭৫ টাকা | প্রায় ৭৬,৫০০ টাকা |
| ২০ বছর জমাদান শেষে | প্রায় ২৭,৮৬০ টাকা | প্রায় ৬৯,৬৫০ টাকা | প্রায় ১,০৪,৪৭৫ টাকা | প্রায় ১,৩৯,৩০০ টাকা |
| ২৫ বছর জমাদান শেষে | প্রায় ৪৮,৬০০ টাকা | প্রায় ১,২১,৫০০ টাকা | প্রায় ১,৮২,২৫০ টাকা | প্রায় ২,৪৩,০০০ টাকা |
| ৩০ বছর জমাদান শেষে | প্রায় ৮২,৮০০ টাকা | প্রায় ২,০৭,০০০ টাকা | প্রায় ৩,১০,৫০০ টাকা | প্রায় ৪,১৪,০০০ টাকা |
| ৪২ বছর জমাদান শেষে (সর্বোচ্চ) | প্রায় ১,৭২,৫৫০ টাকা | প্রায় ৪,৩১,৩৭৫ টাকা | প্রায় ৬,৪৭,০৬০ টাকা | প্রায় ৮,৬২,৭৫০ টাকা |
বিশেষ দ্রষ্টব্য: আনুমানিক এই হিসাবটি জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের বর্তমান চক্রবৃদ্ধি লাভ প্রাক্কলনভিত্তিক। ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অবস্থা, ফান্ড ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ রিটার্নের সমন্বয়ে এই অংক সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের প্রবাসীরা দেখতে পারেন ইউকে পাউন্ড টাকার রেট। ইউরোপের দেশগুলোর জন্য রয়েছে আজকের ইউরো টাকার রেট গাইড।
৭. জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল সুবিধা ও ঋণ সহায়তা
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল সুবিধা কেবল মাসিক পেনশনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এতে রয়েছে বহুমুখী প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ:
১. ৫০ শতাংশ পর্যন্ত সহজ ঋণ সুবিধা
প্রবাসে বা দেশে কোনো জরুরি চিকিৎসা কিংবা পারিবারিক সংকটে গ্রাহক তাঁর নিজস্ব পেনশন হিসাবে মোট জমাকৃত অর্থের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারেন। এই ঋণের জন্য কোনো ব্যাংকে সশরীরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই; পোর্টাল থেকেই আবেদন করে ২৪টি কিস্তিতে তা পরিশোধ করা যায়।
২. সম্পূর্ণ করমুক্ত মুনাফা ও বিনিয়োগ রেয়াত
পেনশন স্কিমে জমাকৃত চাঁদা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিধি অনুযায়ী আয়কর রেয়াতযোগ্য। এছাড়া ৬০ বছর পর প্রাপ্ত মাসিক পেনশন আয়করমুক্ত রাখা হয়েছে।
৩. নমিনির সামাজিক নিশ্চয়তা ও পেনশন স্থানান্তর
পেনশন চালুর পূর্বে গ্রাহকের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু হলে জমাকৃত আসল ও লভ্যাংশ নমিনি এককালীন পাবেন। আর পেনশনার ৬০ বছর বয়সে পেনশন পাওয়া শুরুর পর ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মারা গেলে নমিনি অবশিষ্ট সময় মাসিক পেনশন পেতে থাকবেন।
৪. দেশে স্থায়ী প্রত্যাবর্তনে স্কিম বদলের সুযোগ
প্রবাস জীবন শেষ করে দেশে স্থায়ীভাবে ফিরলে হিসাব বন্ধ করতে হয় না। প্রবাস স্কিম থেকে ‘প্রগতি’ বা ‘সুরক্ষা’ স্কিমে রূপান্তর করে দেশীয় মুদ্রায় চাঁদা চালু রাখা যায়।
মাসিক সঞ্চয় ও রেমিট্যান্সের হিসাব সহজে করতে ব্যবহার করুন আমাদের লাইভ কারেন্সি ক্যালকুলেটর।
৮. কিস্তি প্রদানকালে সতর্কতা ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম
অনলাইন পেনশন পরিচালনায় কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক প্রবাসীদের লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন:
- অফিসিয়াল পোর্টাল যাচাই: কেবলমাত্র upension.gov.bd ব্যবহার করুন। কোনো অননুমোদিত এজেন্ট বা মধ্যস্থতাকারীর হাতে ব্যক্তিগত তথ্য দেবেন না।
- বকেয়া কিস্তি সমন্বয়: কোনো মাসে কিস্তি পরিশোধ বাদ পড়লে পরবর্তী কিস্তির সাথে বকেয়া পরিশোধ করা যায়।
- ডিজিটাল রসিদ সংরক্ষণ: প্রতিটি সফল পেমেন্টের পর সিস্টেম থেকে ই-মানি রসিদ ডাউনলোড করে গুগল ড্রাইভ বা ব্যক্তিগত ইমেইলে ব্যাকআপ রাখুন।
- পাসপোর্ট ও এনআইডি তথ্য হালনাগাদ: পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে বা নতুন এনআইডি হাতে পেলে পোর্টালের প্রোফাইল অপশনে গিয়ে তথ্য আপডেট করে নেওয়া নিরাপদ।
৯. সর্বজনীন পেনশন প্রবাস স্কিম সম্পর্কিত সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
১. প্রবাস স্কিমে নিবন্ধনের পর কিস্তির স্তর পরিবর্তন করা যায় কি?
হ্যাঁ, পেনশন প্রোফাইলে লগইন করে নির্ধারিত নিয়মে গ্রাহক তাঁর সুবিধাজনক কিস্তির স্তর পরবর্তীতে পরিবর্তন করতে পারেন।
২. প্রবাস স্কিমে ন্যূনতম কত বছর চাঁদা দিতে হবে?
পেনশন সুবিধা সক্রিয় করার জন্য একটানা ন্যূনতম ১০ বছর চাঁদা প্রদান করা বাধ্যতামূলক।
৩. বিদেশে থাকা অবস্থায় পেনশনার মৃত্যুবরণ করলে জমাকৃত টাকার কী হবে?
পেনশন শুরুর আগে মৃত্যু হলে জমাকৃত আসল ও সরকারি মুনাফাসহ পুরো তহবিল নমিনিকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
৪. প্রবাস স্কিমে কি কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকের ব্যক্তিগত জামিনদার প্রয়োজন হয়?
না, প্রবাস স্কিমে অংশ নিতে কোনো ব্যাংক জামিনদারের দরকার নেই; এটি সরাসরি রাষ্ট্রীয় স্কিম।
৫. দেশে ফিরে আসলে এই স্কিমের কী হবে?
দেশে স্থায়ীভাবে ফিরলে প্রবাস স্কিম থেকে প্রগতি বা সুরক্ষা স্কিমে স্থানান্তর করে কিস্তি চালু রাখা যায়।